1. rahimsaikat7@gmail.com : dctgmin :
আপনার ছোট্ট রাজকন্যার প্রতি নজর রাখুন - Daily Chittagong
April 2, 2025, 12:02 pm

আপনার ছোট্ট রাজকন্যার প্রতি নজর রাখুন

  • Update Time : Monday, March 24, 2025
  • 13 Time View

ওমর ফারুক ◾

রিদ্ওয়ানুল ইসলাম আমার এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রফুল্ল সজীব হাসিখুশি একজন ছাত্র। সে সবসময়ই ফাজলামো করে তবে পড়াশুনায় মাশা-আল্লাহ খুবই ভালো। খেলাধূলায় এগিয়ে রয়েছে বাকি দশ ছেলে থেকে। যেমন দুষ্ট তেমন পড়াশুনায় ভালো এবং স্পোর্টস ও বিনোদন ভালো পারে। সে সাধারণত ক্লাস মিস দেই না। একবার হঠাৎ বলল, ভাইয়া আজ আসিয়েন না ভালো লাগছে না। একই কাজ টানা তিন ক্লাস করলো। ভাবলাম রিদ্ওয়ান ক্লাস মিস করে না হঠাৎ কী এমন হলো? আমি না বলার পরেও চলে গেলাম ওর বাসায় সপ্তাহের শেষ দিনে।গিয়ে দেখলাম সে শুয়ে আছে। পুরো বাসা নিস্তব্ধ একেবারে ওদের বাসা এমন নিরব থাকে না। তিন বোন আর এক ভাই শুধু রিদ্ওয়ান। আমাকে দেখে টেবিলে বসলো তবে চুপচাপ একেবারে। আমি বললাম, কোন সমস্যা হয়েছে কী ভাইয়া? সে কিছু সময় নিয়ে এমন এক কাহিনী বলল যা শুনে শরীর ঝিমঝিম করছে। গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেছে আমার এবং নিস্তব্ধ হয়ে গেলাম। ঘটনা হলো ওর দ্বিতীয় বোনটি পড়ে ক্লাস সিক্সে মাত্র। প্রায়ই মোবাইল নিয়ে গেইম খেলে ও টিকটক দেখে। কিন্তু কেউ জানতো না এই পিচ্চি মেয়ে ইনস্টাগ্রামে একটিভ আছে কিংবা ব্যবহার করে। এক অমানুষ তেইশ বছরের দামড়া যুবক মেয়েটার সাথে কথা বলতো। উসলিয়ে ফুসলিয়ে ভিডিও কলে কথা বলতো। কিন্তু ছেলেটা এই পিচ্চি মেয়ের সাথে এমন কাজ করছে যা অকল্পনীয়! মেয়েটার সাথে ভিডিও কলে উলঙ্গ হয়ে কথা বলছে। বিশেষ করে মেয়েটার কোনো কাপড় নাই শরীরে। (আসতাগফিরুল্লাহ!) এই পিচ্চি মেয়ের সকল ভিডিও কল ছেলেটা স্ক্রিন রেকর্ড করে রাখছে। কিন্তু মেয়েটা জানে না। পরে খারাপ ও অশালীন কাজ করার জন্য প্রস্তাব করছে। কোনো কারণে বাসায় জানতে পারছে বিষয়টা। স্ক্রিন রেকর্ড আমি দেখে চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। হে সৃষ্টিকর্তা কোন দুনিয়ায় আছি আমরা? এমন মানুষও পৃথিবীতে আছে? ক্লাস সিক্সের মেয়ে এখনো কী জানে বা বুঝে।তার সাথে অশালীন কাজ না করলে ছেলেটা ভাইরাল করার হুমকি দিয়েছিল। পরে কোনমতে মিটমাট করছিল বিষয়টা। আমার প্রশ্ন এই ছোট্ট মেয়ে বুঝে কী? জানেও বা কী? দোষ ঠিক কার আমি জানি না। পরিবারের দোষ হলো মোবাইল নিয়ে একা-একা কী করছে তা দেখা দরকার ছিল বা মাঝে মাঝে চেক দেওয়ার উচিৎ ছিল। আমাদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন সোভা নামে একটা মেয়ে তুলকালাম করলো না দেশে? পুরো অনলাইন হইচইপূর্ণ পরিবেশ করে ফেলছে। পরে খবর পেল মেয়েটা বাড়িতে ভালো লাগছে না তাই অসুস্থ মাকে রেখে ইচ্ছে করে নিজের দায়িত্বে বয়ফ্রেন্ডের সাথে চলে গেছে। অথচ মেয়েটার জন্য ঢাকায় কতগুলো আপু নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে বন্ধুবান্ধব নিয়ে আনাচ-কানাচে খুঁজছিল। প্রশাসন তন্নতন্ন করেছিল সব জায়গায় পরে মার্কেটের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বের করছিল। পুরো দেশের নেট জগৎ হট টপিক ছিল। সবাই খোঁজাখুঁজি করছিল মেয়েটাকে। পরে কী হইলো সবাই অবগত। এমন অহরহ সোভা, নোভা, মিম ও রিয়া দেশে তুলকালাম সৃষ্টি করে। পরে দেখা যায় উল্টো মেয়েটার দোষ। আর একটা মারাত্মক ঘটনা বলি!সেদিন ক্লাস করাতে যাওয়ার সময় আর এক বাস্তব কাহিনী শুনছিলাম! চট্টগ্রামে কিছুদিন আগে কনসার্ট হয়েছিল না সে সময়ের ঘটনা। দুজন ছেলে গাড়িতে বসে বসে আলাপ আলোচনা করছিল। গাড়িতে তেমন কেউ ছিল না। আমি মেবাইল দেখছিলাম ওরা মনে করছে আমার মন মোবাইলে। এতোই নোংরা, ফালতু, অশালীন যে আমার শরীর ও মস্তিষ্ক কাজ করছিল না। পুরো ট্রমালাইজ হয়ে গেছিলাম বাসায় এসে! কথা গুলো মাথায় আসলেই শরীর ঝিনঝিন ও ফিনফিন করে কেঁপে উঠে এখনো।চট্টগ্রাম কনসার্ট হয়েছে না? ওই কনসার্টে এক সিনিয়র ভাইয়ের সাথে ক্লাস এইটের একটা মেয়ে গেছিল। ক্লাস সেভেন-এইট মানে আধুনিক মতে কয় বছর হবে তা আপনারা জানেন। কনসার্ট চলছে ভালো মতো। হই-হই রই-রই করছে সবাই। ওই মুহূর্তে মেয়েটাকে স্টিক খাওয়ায়ছে ছেলেটা। মেয়েটা পাগলামি শুরু করছে। ক্লাস এইটের মেয়ে স্টিক টানছে তাও পাওয়ারফুল লেভেলের! তাদের মতে এমন ভাবে পাগলামি করছিল মেয়েটা হুঁশে নাই। সম্ভবত সেন্সলেস হয়ে গেছিল। তারপর যা হওয়ার হলো। একটা কুকুর যেমন ডাস্টবিন থেকে হাড্ডি খাই তেমন হয়েছে।একটা ক্ষুধার্ত বাঘ যেভাবে বহুদিন পরে খাবার পেলে যেমন হয় তেমন হয়েছে। একটা তৃষ্ণার্ত পথিক মরুভূমিতে সারাদিন হেঁটে পানি পেলে যা হয় তা হয়েছে। তিন-চার ঘন্টা পরে মেয়েটার হুঁশ আসছিল। হোটেলে চলে গেছিল মেয়ে ও সিনিয়র ভাইটা। তারপর কনসার্ট শেষ না হতেই বাড়ি চলে আসছে। কথা গুলো এমন যে আমি লিখে ব্যাখ্যা করতে পারবো না। সুপার লেভেলের অশালীন।হে প্রিয় অভিভাবক!? আপনার ক্লাস সেভেন-এইটে পড়া মেয়ে, ভাই ও বাবা ছাড়া সন্ধ্যায় বের হয় কেমনে? কোচিং এর নাম দিলেও কোচিং-এ খবর নিন। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনার মেয়ের গতিবিধি শনাক্ত করুন। আপনার মেয়ে কোথায় যাচ্ছে নজর রাখুন। কোন সিনিয়রের সাথে ঘুরছে চোখ দিন। কোথায় আড্ডা দিচ্ছে দেখুন। কার কার সাথে মিশে খবরা-খবর রাখুন। নয়তো পরে কাঁদতে হবে আছিয়ার পরিবারের মতো। যদিও আছিয়ার ঘটনা ভিন্ন। আমি ওই ছেলেটার বিষয়ে কিছু লিখতে পারব না। কোন সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যাক্তি এমন কাজ করতে পারে না।দয়া করে আপনার বোন, আপনার ভাই, আপনার মেয়ে ও আপনার পরিবার কী কী করছে খবর নিন। মোবাইলের দিখে নজর দিন। অপ্রয়োজনে মোবাইল দিবেন না। জবাবদিহি করুন ক্লাস, কোচিং, স্কুল ও কলেজ থেকে দেরিতে আসলে। হে অভিভাবক আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কে একটা টুকা দিয়ে ভাবুন। ক্লাস সিক্স ও সেভেনের মেয়ে কনসার্টে কার সাথে গেল? আমি এই ঘটনা গুলো শুধু বাবা, বড় ভাই ও অভিভাবকের উদ্দেশ্য পেশ করলাম। না হয় এমন চিত্র লেখার বা উপস্থাপন করার শূন্য পরিমাণ মন-মানসিকতা নাই আমার।ওমর ফারুক ইংরেজি বিভাগ সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম।আপনার ছোট্ট রাজকন্যার প্রতি নজর রাখুন!রিদ্ওয়ানুল ইসলাম আমার এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রফুল্ল সজীব হাসিখুশি একজন ছাত্র। সে সবসময়ই ফাজলামো করে তবে পড়াশুনায় মাশা-আল্লাহ খুবই ভালো। খেলাধূলায় এগিয়ে রয়েছে বাকি দশ ছেলে থেকে। যেমন দুষ্ট তেমন পড়াশুনায় ভালো এবং স্পোর্টস ও বিনোদন ভালো পারে। সে সাধারণত ক্লাস মিস দেই না। একবার হঠাৎ বলল, ভাইয়া আজ আসিয়েন না ভালো লাগছে না। একই কাজ টানা তিন ক্লাস করলো। ভাবলাম রিদ্ওয়ান ক্লাস মিস করে না হঠাৎ কী এমন হলো? আমি না বলার পরেও চলে গেলাম ওর বাসায় সপ্তাহের শেষ দিনে।গিয়ে দেখলাম সে শুয়ে আছে। পুরো বাসা নিস্তব্ধ একেবারে ওদের বাসা এমন নিরব থাকে না। তিন বোন আর এক ভাই শুধু রিদ্ওয়ান। আমাকে দেখে টেবিলে বসলো তবে চুপচাপ একেবারে। আমি বললাম, কোন সমস্যা হয়েছে কী ভাইয়া? সে কিছু সময় নিয়ে এমন এক কাহিনী বলল যা শুনে শরীর ঝিমঝিম করছে। গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেছে আমার এবং নিস্তব্ধ হয়ে গেলাম। ঘটনা হলো ওর দ্বিতীয় বোনটি পড়ে ক্লাস সিক্সে মাত্র। প্রায়ই মেবাইল নিয়ে গেইম খেলে ও টিকটক দেখে। কিন্তু কেউ জানতো না এই পিচ্চি মেয়ে ইনস্টাগ্রামে একটিভ আছে কিংবা ব্যবহার করে। এক অমানুষ তেইশ বছরের দামড়া যুবক মেয়েটার সাথে কথা বলতো। উসলিয়ে ফুসলিয়ে ভিডিও কলে কথা বলতো। কিন্তু ছেলেটা এই পিচ্চি মেয়ের সাথে এমন কাজ করছে যা অকল্পনীয়! মেয়েটার সাথে ভিডিও কলে উলঙ্গ হয়ে কথা বলছে। বিশেষ করে মেয়েটার কোনো কাপড় নাই শরীরে। (আসতাগফিরুল্লাহ!) এই পিচ্চি মেয়ের সকল ভিডিও কল ছেলেটা স্ক্রিন রেকর্ড করে রাখছে। কিন্তু মেয়েটা জানে না। পরে খারাপ ও অশালীন কাজ করার জন্য প্রস্তাব করছে। কোনো কারণে বাসায় জানতে পারছে বিষয়টা। স্ক্রিন রেকর্ড আমি দেখে চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। হে সৃষ্টিকর্তা কোন দুনিয়ায় আছি আমরা? এমন মানুষও পৃথিবীতে আছে? ক্লাস সিক্সের মেয়ে এখনো কী জানে বা বুঝে।তার সাথে অশালীন কাজ না করলে ছেলেটা ভাইরাল করার হুমকি দিয়েছিল। পরে কোনমতে মিটমাট করছিল বিষয়টা। আমার প্রশ্ন এই ছোট্ট মেয়ে বুঝে কী? জানেও বা কী? দোষ ঠিক কার আমি জানি না। পরিবারের দোষ হলো মোবাইল নিয়ে একা-একা কী করছে তা দেখা দরকার ছিল বা মাঝে মাঝে চেক দেওয়ার উচিৎ ছিল। আমাদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন সোভা নামে একটা মেয়ে তুলকালাম করলো না দেশে? পুরো অনলাইন হইচইপূর্ণ পরিবেশ করে ফেলছে। পরে খবর পেল মেয়েটা বাড়িতে ভালো লাগছে না তাই অসুস্থ মাকে রেখে ইচ্ছে করে নিজের দায়িত্বে বয়ফ্রেন্ডের সাথে চলে গেছে। অথচ মেয়েটার জন্য ঢাকায় কতগুলো আপু নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে বন্ধুবান্ধব নিয়ে আনাচ-কানাচে খুঁজছিল। প্রশাসন তন্নতন্ন করেছিল সব জায়গায় পরে মার্কেটের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বের করছিল। পুরো দেশের নেট জগৎ হট টপিক ছিল। সবাই খোঁজাখুঁজি করছিল মেয়েটাকে। পরে কী হইলো সবাই অবগত। এমন অহরহ সোভা, নোভা, মিম ও রিয়া দেশে তুলকালাম সৃষ্টি করে। পরে দেখা যায় উল্টো মেয়েটার দোষ। আর একটা মারাত্মক ঘটনা বলি!সেদিন ক্লাস করাতে যাওয়ার সময় আর এক বাস্তব কাহিনী শুনছিলাম! চট্টগ্রামে কিছুদিন আগে কনসার্ট হয়েছিল না সে সময়ের ঘটনা। দুজন ছেলে গাড়িতে বসে বসে আলাপ আলোচনা করছিল। গাড়িতে তেমন কেউ ছিল না। আমি মেবাইল দেখছিলাম ওরা মনে করছে আমার মন মোবাইলে। এতোই নোংরা, ফালতু, অশালীন যে আমার শরীর ও মস্তিষ্ক কাজ করছিল না। পুরো ট্রমালাইজ হয়ে গেছিলাম বাসায় এসে! কথা গুলো মাথায় আসলেই শরীর ঝিনঝিন ও ফিনফিন করে কেঁপে উঠে এখনো।চট্টগ্রাম কনসার্ট হয়েছে না? ওই কনসার্টে এক সিনিয়র ভাইয়ের সাথে ক্লাস এইটের একটা মেয়ে গেছিল। ক্লাস সেভেন-এইট মানে আধুনিক মতে কয় বছর হবে তা আপনারা জানেন। কনসার্ট চলছে ভালো মতো। হই-হই রই-রই করছে সবাই। ওই মুহূর্তে মেয়েটাকে স্টিক খাওয়ায়ছে ছেলেটা। মেয়েটা পাগলামি শুরু করছে। ক্লাস এইটের মেয়ে স্টিক টানছে তাও পাওয়ারফুল লেভেলের! তাদের মতে এমন ভাবে পাগলামি করছিল মেয়েটা হুঁশে নাই। সম্ভবত সেন্সলেস হয়ে গেছিল। তারপর যা হওয়ার হলো। একটা কুকুর যেমন ডাস্টবিন থেকে হাড্ডি খাই তেমন হয়েছে।একটা ক্ষুধার্ত বাঘ যেভাবে বহুদিন পরে খাবার পেলে যেমন হয় তেমন হয়েছে। একটা তৃষ্ণার্ত পথিক মরুভূমিতে সারাদিন হেঁটে পানি পেলে যা হয় তা হয়েছে। তিন-চার ঘন্টা পরে মেয়েটার হুঁশ আসছিল। হোটেলে চলে গেছিল মেয়ে ও সিনিয়র ভাইটা। তারপর কনসার্ট শেষ না হতেই বাড়ি চলে আসছে। কথা গুলো এমন যে আমি লিখে ব্যাখ্যা করতে পারবো না। সুপার লেভেলের অশালীন।হে প্রিয় অভিভাবক!? আপনার ক্লাস সেভেন-এইটে পড়া মেয়ে, ভাই ও বাবা ছাড়া সন্ধ্যায় বের হয় কেমনে? কোচিং এর নাম দিলেও কোচিং-এ খবর নিন। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনার মেয়ের গতিবিধি শনাক্ত করুন। আপনার মেয়ে কোথায় যাচ্ছে নজর রাখুন। কোন সিনিয়রের সাথে ঘুরছে চোখ দিন। কোথায় আড্ডা দিচ্ছে দেখুন। কার কার সাথে মিশে খবরা-খবর রাখুন। নয়তো পরে কাঁদতে হবে আছিয়ার পরিবারের মতো। যদিও আছিয়ার ঘটনা ভিন্ন। আমি ওই ছেলেটার বিষয়ে কিছু লিখতে পারব না। কোন সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যাক্তি এমন কাজ করতে পারে না।দয়া করে আপনার বোন, আপনার ভাই, আপনার মেয়ে ও আপনার পরিবার কী কী করছে খবর নিন। মোবাইলের দিখে নজর দিন। অপ্রয়োজনে মোবাইল দিবেন না। জবাবদিহি করুন ক্লাস, কোচিং, স্কুল ও কলেজ থেকে দেরিতে আসলে। হে অভিভাবক আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কে একটা টুকা দিয়ে ভাবুন। ক্লাস সিক্স ও সেভেনের মেয়ে কনসার্টে কার সাথে গেল? আমি এই ঘটনা গুলো শুধু বাবা, বড় ভাই ও অভিভাবকের উদ্দেশ্য পেশ করলাম। না হয় এমন চিত্র লেখার বা উপস্থাপন করার শূন্য পরিমাণ মন-মানসিকতা নাই আমার।

লেখক, শিক্ষার্থী- ইংরেজি বিভাগ সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Chittagong
Theme Customized By BreakingNews